২০২৬ ঈদের আয়োজনে সেরা ১০টি রেসিপি নিয়ে আজকের এই আর্টিকেল। ঈদ মানে আনন্দ
পরিবার অতিথী আর মজাদার সব খাবারের আয়োজন। ২০২৬ সালের ঈদগা আরো বিশেষ করতে চাইলে
আপনার মেনুতে রাখতে পারেন এই সেরা ১০ টি জনপ্রিয় ও সুস্বাদু রেসিপি।
সকালের সেমাই থেকে শুরু করে রাতের গরুর মাংস এবং কাচ্চি বিরানী পর্যন্ত আজকের
এই এক আর্টিকেলের মাধ্যমে দেখানো হলো। ঈদ আয়োজনকে আরো আকর্ষণীয় করতে নিজের
ডাইনিং টেবিল কে সাজিয়ে তুলুন এই সুস্বাদ এবং সুন্দর রেসিপি এর মাধ্যমে।
পোস্ট সূচিপত্রঃ২০২৬ সালের ঈদের আয়োজনে সেরা ১০টি রেসিপি
২০২৬ সালের ঈদের আয়োজনে আরো জমজমাট করতে চাইলে দরকার বিশেষ কিছু সুস্বাদু খাবার।
ঈদ মানে যেমন আনন্দ পরিবার আত্মীয়র সাথে উল্লাসে মেতে ওঠা ঠিক তেমনি ঈদকে আরো
সুন্দর করতে খাবার টেবিলে দরকার সুস্বাদু কিছু আইটেম। তাই আজ এই আর্টিকেলের
মাধ্যমে আমি আপনাদের মাঝে নিয়ে এসেছি ২০২৬ সালের ঈদের আয়োজন এর জন্য সেরা ১০ টি
রেসিপি।
এখানে থাকছে ঘরোয়া পদ্ধতিতে গরুর মাংস ভুনা থেকে শুরু করে রেস্টুরেন্ট স্টাইলে
কাচ্চি বিরিয়ানি রান্নার রেসিপি। সাথে থাকছে ডেজার্ট আইটেম এবং বোরহানি। প্রতিটা
রেসিপি এত সাধারন উপকরণ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে যে বাড়িতে দামি কোন মসলা কেনার
প্রয়োজন পড়বে না। প্রতিটি রেসিপি গুলো হবে আপনার পরিবারের মনের মত। সুস্বাদু
আকর্ষণীয় এই দশটি আইটেম যোগ করুন আপনার ঈদের তালিকায়।
সহজ পদ্ধতিতে লাচ্ছা সেমাই রান্নার রেসিপি
আমাদের মত মুসলিম বাড়িতে ঈদের দিন কম-বেশি সবাই মিষ্টি কিছু খেয়ে দিন শুরু করে
তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো লাচ্ছা সেমাই। এটি বানাতে খুব অল্প সময়ে এবং সহজ
সাধারণ কিছু উপকরণ লাগে। তবে চলুন দেখে নেওয়া যাক সহজ পদ্ধতিতে লাচ্ছা সেমাই
রান্নার রেসিপি।
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
লাচ্ছা সেমাই - ২০০ গ্রাম
দুধ - ১ লিটার
চিনি - স্বাদমতো
ঘি -১টেবিল চামচ
এলাচ- ২থেকে৩
কিসমিস ও বাদাম কুচি পরিমাণ মতো
রান্নার পদ্ধতি ঃ
প্রথমে কড়াইতে ঘি গরম করে হালকা করে লজ্জা সেমাই ভেজে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে
হবে অনেক সময় কিন্তু লাগছে সেমাই ভাজা থাকে সেই ক্ষেত্রে আর ভাজার প্রয়োজন
পড়বে না। তারপর একটা প্যানে দুধ দিতে হবে তার ভেতরে এক এক করে তিনি এলাচ দিয়ে
৫-৭ মিনিট রান্না করে নিতে হবে। কয়েক মিনিট পরে লাচ্ছা সেমাই রান্না করা দুধের
ভিতরে দিয়ে দিতে হবে। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখতে হবে। এ পর্যায়ে
সেমাই রান্না পুরোপুরি রেডি। এবার গরম বা ঠান্ডা অবস্থায় উপরে বাদাম ছড়িয়ে
পরিবেশন করতে পারবেন।
উপরে সহজে লাচ্ছা সেমাই রান্না রেসিপি দেওয়া হয়েছে। গজল সবাই রেসিপি আপনার ঈদকে
আরো সুন্দর করে তুলবে। কম সময়ে একেবারে ঝামেলা হীন ভাবে তৈরি করে আপনিও পারেন
পরিবারের সবাইকে খুশি করতে।
ঘরোয়া পদ্ধতিতে ঝরঝরা পোলাও রান্নার রেসিপি
আমাদের মত বাঙালি বাড়িতে ঈদের দাওয়াতে পোলাও না থাকলে যেন চলে না আয়োজনটা
কেমন অসম্পূর্ণ থাকে। আজকের এই আর্টিকেলটি ফলো করে রান্না করলে আপনারা
খুব সহজ পদ্ধতিতেই ঘরোয়াভাবে বানাতে পারবেন ঝরঝরা পোলাও। তবে চলুন দেখে
নেওয়া যাক ঘরোয়া পদ্ধতিতে পোলাও রান্না রেসিপি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ ঃ
বাসমতি চাউল -৫০০ গ্রাম
পেঁয়াজ কুচি -১ কাপ
আদা রসুন বাটা- ১টেবিল চামচ
তেজপাতার দারচিনি এলাচ লবঙ্গ- ৩/৪টা করে
ঘি -৩টেবিল চামচ
চিনি -১ চা চামচ
লবণ -স্বাদমতো
গরম পানি- পরিমাণ মত
কিসমিস ও বাদাম- যতটা পছন্দ
রান্নার পদ্ধতিঃ
প্রথমে চাউল ধুয়ে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। পাত্রে ঘি গরম করে গোটা গরম
মসলা ও পেঁয়াজ হালকা বাদামি করে ভাজুন। এরপর আদা রসুন বাটা দিয়ে একটু
নেড়ে চাল দিয়ে দিন এবং দুই থেকে তিন মিনিট ভাজুন। এই সময় চুলার আঁচ
মিডিয়াম করে রাখুন। কিছু সময় নিয়ে চালগুলো ভালোভাবে ভেজে নিন। লবণ ও
সামান্য চিনি গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন। মাঝারি আছে রান্না করে পানি
শুকিয়ে এলে কম আছে ১০ মিনিট দমে দিয়ে রাখুন। এই পর্যায়ে ঝরঝরে পোলাও
একদম রেডি। গরম গরম উপরে কিসমিস বাদাম বা পেঁয়াজ ভাজা দিয়ে পরিবেশন করুন।
ঘরোয়া পদ্ধতিতে ঝাল ঝাল গরুর মাংস ভুনার রেসিপি
ঈদের দিন সকল মুসলিমদের ঘরে গরুর মাংসটা থাকবেই। ধনী হোক কিংবা গরিব সকলের
বাড়িতে গরুর মাংস রান্না করা হয়। প্রতি এদের এই একঘেয়ে গরুর মাংস থেকে
বেরিয়ে এসে চলুন নতুন ভাবে গরুর মাংস রান্নার রেসিপি দেখা যাক। এই রেসিপি
অনুসরণ করলে আপনি সহজেই নরম মসলাদার সুগন্ধযুক্ত ঝাল ঝাল গরুর মাংস ভুনা
করতে পারবেন।
প্রয়োজনীয় উপকরণ ঃ
গরুর মাংস -১ কেজি
পেঁয়াজ কুচি- ২ কাপ
আদা রসুন বাটা -১ টেবিল চামচ
মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া- ½ চা চামচ
ধনে ও জিরা গুড়া- ১ চা চামচ করে
গরম মসলা- ½ চা চামচ
তেল - ½ কাপ
লবণ- স্বাদমতো
পানি -প্রয়োজনমত
রান্নার পদ্ধতি ঃ
মাংস ধুয়ে লবণ হলুদ আদা রসুন বাটা দিয়ে ২০ মিনিট মাখিয়ে রাখুন। পাত্রে তেল
গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি করে ভাজুন। সব গুড়া মসলা দিয়ে
হালকা পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। মাংস দিয়ে মাঝারি আছে ভালোভাবে কষাতে থাকুন
যতক্ষণ না তেল উপরে উঠে আসে। প্রয়োজন মত পানি দিয়ে ঢেকে নরম হওয়া পর্যন্ত
রান্না করুন। গরম মসলার ছড়িয়ে কয়েক মিনিট দমে রেখে পরিবেশন করুন ঝাল ঝাল
গরুর মাংস।
সহজ পদ্ধতিতে চিকেন রোস্ট রেসিপি
বাসায় ঈদ বা কোন অনুষ্ঠানে আপনি যদি খাবার টেবিলে রোস্ট রাখেন তাহলে খাবার
টেবিলটা আরো লোভনীয় ও সুন্দর দেখাবে। সহজ উপকরণ ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুব দ্রুত
সুস্বাদু চিকেন রোস্ট তৈরি করা যায়। তবে চলুন দেখে নেওয়া যাক সহজ পদ্ধতিতে
চিকেন রোস্ট রেসিপি।
প্রয়োজনীয় উপকরণ ঃ
পুরো মুরগি -১টি আস্ত
দুই -২ টেবিল চামচ
আদা রসুন বাটা -১টেবিল চামচ
লেবুর রস- ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো- ১ চা চামচ
মরিচ গুড়ো- ১চা চামচ
ধ্বনি ও জিরা গুড়ো -১ চা চামচ করে
গরম মসলা -½ চা চামচ
ঘি বা তেল- ৩ টেবিল চামচ
লবণ -স্বাদমতো
তেজপাতা -৩ টা
রোস্টেড মসলা-১পেকেট
রান্নার পদ্ধতি ঃ
প্রথমে মুরগিটাকে সুন্দরভাবে চার ভাগে ভাগ করে কেটে নেন।মুরগি ধুয়ে ভালোভাবে
পানি ঝরিয়ে নিন। একটি বাটিতে দই আদা রসুন বাটা লেবুর রস মসলা লবণ ও তেল
মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার মুরগি গুলো তেলে লবন হলুদ মাখিয়ে ভেজে নিন।
ভেজে তুলে নেওয়ার পরে ওই তেলে পেঁয়াজকুচি দিয়ে হালকা লাল করে ভাজুন।
এবার ওই মেরিনেট করা পেস্ট গুলো তেলে দিয়ে দিন ২ মিনিট হালকা ভাজার পর ভাজা
মুরগি দিয়ে দিন। এক পর্যায়ে অল্প একটু পানি এড করুন। এবার কিছুক্ষণ কষানোর
পরে রোস্টেড মসলা দিয়ে দেন। এ পর্যায়ে হালকা আছে নাড়াচাড়া করে পুরো পানি
শুকিয়ে মুরগির গায়ে মসলাগুলো মাখামাখা করে নিল। এবার কিছু ধনিয়া পাতা উপর
থেকে সিরিয়ায় পরিবেশন করুন
পারফেক্ট মেজারমেন্টে পুডিং রেসিপি
একটি উৎসবে আপনি যদি ডেজার্ট আইটেম হিসেবে পুডিং রাখেন তবে খাবার টেবিলে
পুডিং হবে প্রধান আকর্ষণ। আমরা অনেকেই আছি যারা কিনা পুডিং রেসিপি জানি তবে
সঠিক পরিমাপ না জানার কারণে আমাদের পুডিং পারফেক্ট ভাবে সেট হয় না। তাই আজকে
আমি তোমাদের এমন একটি রেসিপি দেখাব সেটা কিনা কোনটা কতটা পরিমাণে দিতে হবে
সেই বিষয়ে বলবো। আপনি যদি একটি পারফেক্ট পুডিং বানাতে চান তবে আজকের এই
আর্টিকেল হতে যাচ্ছে আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে চলুন শুরু করা যাক।
উপকরণ ঃ
দুধ -১ লিটাছিন
চিনি -প্রয়োজন মত
ডিম -৪টি
ঘি/মাখন - আধা টেবিল চামচ
রান্নার পদ্ধতি ঃ
দুধ এক লিটার নিয়ে প্যানে জ্বাল দিয়ে অর্ধেক করে ফেলুন এবং নামিয়ে ঠান্ডা
হতে দিন। একটি বাড়িতে ডিম নিয়ে ভালো করে ফাটিয়ে এতে চিনি দিয়ে ফেটাতে
থাকুন। খুব ভালো করে ফাটানো হয়ে গেলে ঘি বা মাখন দিন। তারপর আরো খানিকক্ষণ
ফেটিয়ে নিন। একটি পুডিং বাটি অথবা আপনি যেটাতে পুডিং বানাতে চান সে বাটি
নিয়ে কিছু চিনি নিচে ছড়িয়ে দিন। প্রায় ১চা চামচ চিনি বাটিতে ছড়িয়ে
কয়েক চামচ পানি দিয়ে চুলায় বসিয়ে দিন। চিনিগুলা শিরা তৈরি হয়ে লাল
ক্যারামেলের মতো তৈরি হয়ে যাবে।
বাটিতে ক্যারামেল বসে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। এবার ডিম
চিনির মিশ্রণ ঠান্ডা হয়ে যাওয়া দুধে ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে নিন। মনে রাখবেন
যদি দুধ সামান্য গরম থাকে তবে ডিমকে জমাট করে ফেলবে। তাই দুধ খুব ঠান্ডা করে
নিয়েই মেশাতে হবে। এরপর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া পুডিং বাটিতে পুরো মিশ্রণটি ঢেলে
দিন। একটি বড় সসপ্যান ধরনের পাত্র চুলায় বসান। এবার ঠিক মাঝে একটি পাতিল
রাখার স্ট্যান্ড বসিয়ে দিন এতে দিন ¼ অংশ পানি। পুডিং এর বাটিটি স্ট্যান্ড
এর উপর বসিয়া ঢেকে দিন।
সসপ্যান ধরনের পাত্রটিও ভালো করে ঢেকে উপরে ভারী কিছু দিয়ে চাপা দিন। এখন
জাল দিতে থাকুন। ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যেই পুডিং হয়ে যাবে তাই সতর্ক থাকুন।
চুলা থেকে নামানোর আগে একটা কাঠি দিয়ে পুডিং নিয়ে ঠিক মাঝের দিকে লুকিয়ে
পরীক্ষা করে নিন। এরপর পুডিং এর বাটে একটু ঠান্ডা হলেই এটি ছাড়ানো প্লেটে
উল্টো করে দিন। এতে বোর্ডিংয়ের গ্রামের অংশটি উপরে আসবে। ব্যাস এবার মজা নিন
শুধু পুডিং এর।
আপনারা চাইলে ঈদের আয়োজনে টেবিলে কাচ্চি বিরিয়ানি রাখতে পারেন যা
আত্মীয়দের বিশেষভাবে আকর্ষণ করবে। চলো এক নজরে দেখে নিয়ে এসছেন ইসরাইলের
কাছে ফিরে আমি রান্নার রেসিপি।
আপনারা চাইলে ঈদের আয়োজনে টেবিলে কাচ্চি বিরিয়ানি রাখতে পারেন যা
আত্মীয়দের বিশেষভাবে আকর্ষণ করবে। চলো এক নজরে দেখে নিয়ে এসছেন ইসরাইলের
কাছে ফিরে আমি রান্নার
প্রয়োজনীয় উপকরণ ঃ
বাসমতি চাল -৫০০ গ্রাম
গরুর মাংস -১ কেজি
পেঁয়াজ কুচি- 2 কাপ
টক দই- ১ কাপ
আদা রসুন বাটা -2 টেবিল চামচ
লেবুর রস -২ টেবিল চামচ
গরম মসলা -১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো ,মরিচের গুঁড়ো- পরিমাণ মতো
তেল -½ কাপ
রাধুনী বিরিয়ানির মসলা -এক প্যাকেট
লবণ -স্বাদমতো
পুদিনা পাতা -সাজানোর জন্য
রান্নার পদ্ধতি ঃ
মাংস ধুয়ে লবণ টক দই আদা রসুন বাটা লেবুর রস গরম মসলা হলুদ গুঁড়া মরিচ
গুঁড়ো দিয়ে ১থেকে ২ ঘন্টা মেরিনেট করে রাখুন। চাল ধুয়ে বিশ মিনিট ভিজিয়ে
রাখুন। একটি পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে নিন। মেরিনেট করা
মাংস ভাজা পেঁয়াজ মিশিয়ে মাঝারি আছে কষান। পানি দিয়ে আঁধা সেদ্ধ করে নিন।
এই পর্যায়ে এক প্যাকেট রাঁধু নিয়ে বিরিয়ানির মসলা দিয়ে দিন। মসলা ও
মাংসের উপরে সেদ্ধ বাসমতি চাল ছেড়ে দিন। থেকে খুব কম আছে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট
দম দিয়ে রাখুন। উপর দিয়ে পুদিনা পাতা বা কিছু বাদাম দিয়ে পরিবেশন করুন
রেস্টুরেন্ট স্টাইলে কাচ্চি বিরিয়ানি।
আলু দিয়ে গরুর ভুরি রান্নার রেসিপি
অনেকেই আছি যারা কিনা গরুর ভুরি রান্না করতে পারি না বলে খায় না আবার এটা
সহজে কোন হোটেলে কিনতেও পাওয়া যায় না। আবার অনেকে ভাবে এটা রান্না করা অনেক
কঠিন আসল কথা একদমই না গরুর ভুরি রান্না একেবারে অনেক সহজ। আসুন জেনে নিয়ে
কিভাবে আলু দিয়ে রান্না করতে হয়।
আলু দিয়ে গরুর ভুরি রান্নার রেসিপি
অনেকেই আছি যারা কিনা গরুর ভুরি রান্না করতে পারি না বলে খায় না আবার এটা
সহজে কোন হোটেলে কিনতেও পাওয়া যায় না। আবার অনেকে ভাবে এটা রান্না করা
অনেক কঠিন আসল কথা একদমই না গরুর ভুরি রান্না একেবারে অনেক সহজ। আসুন জেনে
নিয়ে কিভাবে আলু দিয়ে রান্না করতে হয়।
প্রয়োজনীয় উপকরণ ঃ
গরুর ভুড়ি- ১ কেজি
আলু- ২/৩ টা মাঝারি সাইজের খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট কিউব করে কেটে
নেন
পেঁয়াজ কুচি -২কাপ
আদা রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ
মরিচের গুড়া -১ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া -১ চা চামচ
ধনী ও জিরা গুঁড়ো -১ চামচ করে
গরম মসলা-½ চা চামচ
তেল- ½কাপ
লবন- স্বাদমতো
পানি -পরিমাণ মতো
রান্নার পদ্ধতি ঃ
কড়াইতে তেল দিয়ে তার ভেতরে আদা রসুন বাটা মরিচের গুঁড়ো হলুদ গুঁড়ো লবণ
এবং হালকা পানি দিয়ে কষিয়ে নিন। এবার ওর ভিতরে আলু এবং ভুড়ি দিয়ে দিন।
কিছুক্ষণ কষাতে থাকুন। এরপর পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে কিছুক্ষণ রান্না করে
নিন। এবারের ঝোল ঘন হলে নামিয়ে নিন।
সাধারণ শসা টমেটো পেঁয়াজের সালাদ
আমাদের উৎসবে গরুর মাংস ও পোলাও খাওয়ার সময় অনেকের মুখে রুচি হারিয়ে যায়
বেশি খাইতে পারি না। খাবার পাশে যদি একটি সালাদ আইটেম রাখে তবে এটি আমাদের
মুখের রুচি বাড়ানোর কাজ করবে। তবে চলুন জেনে নেই কিভাবে সাধারণ সালাত
বানাবো।
প্রয়োজনীয় উপকরণ ঃ
শসা -৩/৪টা(খোসা ছাড়িয়ে কিউব করে কেটে নিন)
টমেটো- ২টি(সুন্দরভাবে কিউব করে কেটে নিন)
পেঁয়াজ -১টি (পাতলা স্লাইস করে কাটুন)
লেবুর রস -১ টেবিল চামচ
লবণ- স্বাদমতো
কাঁচা মরিচ- ১টি (কুচি করে নেন)
ধনেপাতা -কয়েকটি
প্রস্তুত প্রণালী ঃ
শসা টমেটো এবং পেয়াজ ভালোভাবে ধুয়ে কেটে নিন। একটি বড় বলে সবগুলো ঢেলে
নেন। লেবুর রস লবণ ও কাঁচা মরিচ যোগ করে হালকা ভাবে মিশিয়ে নিন। এ পর্যায়ে
প্রস্তুত হয়ে গেছে আমাদের সাধারণ শসা পেঁয়াজের সালাদ।
বোরহানি বানানোর রেসিপি
বাড়ি কোন খাবারের পর আমাদের পেটে রান্নার সমস্যা দেখা যায়। খাবার পরে বর
হয়নি খেলে এটি আমাদের হজমের সাহায্য করে পেট ঠান্ডা রাখে। ঈদে আমরা অনেক
কিছু খাওয়া-দাওয়া করে তাই বোরহানি টা খাওয়া আমাদের পেটের জন্য অনেক জরুরী।
তবে আসল জেনে নিয়ে কিভাবে বাড়িতে বোরহানি বানাতে হয়।
প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
টক দই -২কাপ
ঠান্ডা পানি- ১কাপ
পুদিনা পাতা -২টেবিল চামচ
ধনেপাতা- ১ টেবিল চামচ
কাঁচা মরিচ -১টি
ভাজাজিরা গুড়া- ১চা চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া -½ চা চামচ
চাট মসলা -½চা চামচ
লবণ -স্বাদমতো
চিনি- ১ চা চামচ
তৈরীর পদ্ধতি ঃ
প্রথমে দই ভালোভাবে বিট করে মুসলিম করে নিন। ব্লেন্ডারের পুদিনা পাতা ধনেপাতা
কাঁচামরিচ ব্লেন্ড করে নিন। বইয়ের সাথে পানি ব্লেন্ড করা মিশ্রণ উৎসব মসলা
যোগ করুন। ভালোভাবে মিশিয়ে এক থেকে দুই ঘন্টা ফ্রিজে ঠান্ডা করুন। এরপর
পরিবেশন করুন।
শেষ কথাঃ২০২৬ সালে ঈদ আয়োজনের সেরা ১০টি রেসিপি
২০২৬ সালের ঈদের আয়োজন এর সেরা ১০ টি দেশটিতে নিয়ে আমরা উপরে আলোচনা করেছি।
যারা ঈদে সকল প্রকার খাবার নিজ বাড়িতে বানাতে চান তাদের রেসিপিগুলো অনেক
কাজে আসতে পারে। কারণ এই রেসিপিগুলো বানাতে বাইরের কোন দামি মসলা লাগে না ঘরে
থাকা সবকিছু দিয়েই এই রেসিপি বানানো যায় সহজ এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায় তৈরি
করা প্রতিটি পদ আপনার পরিবারের মন জয় করবে। আপনার ঈদ আরও শুভ আরো সুন্দর
হোক। আপনার কোন মন্তব্য থাকলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের জানাবেন।
ধন্যবাদ।
শহর বাসির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url