আপনি কি সহজে পেটের চর্বি কমাতে চান? তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি আপনার
জন্য। এই আর্টিকেলে আমি আলোচনা করব সহজে কিভাবে পেটের চর্বি কমানো যায়। তবে চলুন
শুরু করা যাক
আমরা প্রতি ১০ জনে প্রায় ৮ জন পেটের চর্বি নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকি। চর্বি কমানো
কোন কঠিন বিষয় না শুধু কিছু নিয়ম মানলে আমরা সহজে পেটের চর্বি কমাতে
পারবো। চর্বি কমানোর নয়টি সহজ উপায়
পেটের মেয়ে দেখতে বিব্রতকর বিষয়। উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার যে পেটের মেদ বাড়ায়
তা নয়, বেশি ক্যালরিযুক্ত যেকোনো খাবারই পেটের মেদ বাড়াতে পারে। একবার পেটে
মেয়ের জমলে সেটা আটকে ওঠা যাবে না এই ধারণা ভুল। স্বার্থপর জীবন যাপনের অভ্যস্ত
থাকলে সহজেই মেদ কমিয়ে ফেলার সম্ভব। তাই জন্য আমাদের আগে জানা জরুরী কোন খাবারে
কিরকম সমস্যা হতে পারে। আমরা অনেকেই জানিনা কোন খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য
ভালো এবং কতটুকু পরিমাণ ভালো।
যে কারণে আমাদের অনিয়মিত খাদ্য অভ্যাসের জন্য পেটের চর্বি দ্রুত বৃদ্ধি
পাই। যা কমানো খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। পেটের চর্বি কমাতে আমাদের প্রথমত যেটা
খাবার থেকে বিরত থাকতে হবে সেটা হলো: তেলে ভাজা খাবার, কোমল পানীয়, জাঙ্ক ফুড,
অতীব মিশটে জাতীয় খাবার ইত্যাদি। এগুলো আমাদের শরীরে দ্রুত চর্বি বৃদ্ধি করে।
তাই আমরা এই খাবারগুলো থেকে বিরত থাকলে দ্রুত পেটের চর্বি কমাতে পারবো।
পেটের চর্বি কমাতে ফাইবারযুক্ত খাবার খান
খায় উচ্চ ভাই পর্যন্ত খাবার খাওয়া পেটের চর্বি কমানোর অন্যতম প্রাকৃতিক উপায়।
ফাইবার যেমন খাবারের তৃপ্তি দিতে পারে তেমনি আবার একজনের পেট ও দ্রুত ভরায়।
ফাইবার অল্প খেলে যেহেতু পেট ভরে যায় তাই যে কারো খাবারের পরিমাণটাও কমে যায়।
ফলে ক্যালরির পরিমাণও কমতে সাহায্য করে।
ফাইবার যুক্ত খাবার সুগার বাড়ার সম্ভাবনা কমায়। ফাইবারের কিছু উৎস রয়েছে যেমন
আপেল, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি। আমরা যদি বেশি বেশি ফাইবারযুক্ত খাবার খায় তাহলে
আমাদের বারবার খিদে পাওয়া থেকেও বিরত থাকবে এটি আমাদের অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে
রাখতে সাহায্য করে।
অতি প্রক্রিয়াজাত জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলার গুরুত্ব
আজকের এই যুগে এসে আমরা সবাই প্রায়ই জাঙ্কফুরের প্রতি বেশি আসক্ত হয়ে
পড়েছি। ছোট বড় আমরা সবাই প্রায় জাঙ্ক ফুড খেয়ে থাকি। জান ফুলের মধ্যে কিছু
জনপ্রিয় খাবার হচ্ছে পিজ্জা, বার্গার, চিকেন ফ্রাই, আইসক্রিম, কোমল পানীয়,
ইত্যাদি। এগুলো আমাদের শরীরে দ্রুত চোখ দিয়ে বৃদ্ধি করে। অতিরিক্ত ক্যালরি থাকে।
এবং আপনার শরীরের চর্বি হিসেবে জমা হয়। তাই আপনি কি খাচ্ছেন সবার আগে সে
বিষয়ে সচেতন হতে হবে। তিনি যুক্ত খাবার এবং জান খুব ভাজাভুজি ইত্যাদি এড়িয়ে
চলতে হবে। সচেতন হলে শুধু পেটের চর্বি নয় সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।তাই
আমরা যতটা পারব চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলবো। এবং ফাইবার যুক্ত খাবার করার
চেষ্টা করব।
পেটের চর্বি কমাতে খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ
অধিকতার খাবার খাবার ফলে অনেক সময় আমাদের ওজন এবং পেটের চর্বি বাড়তে থাকে। তাই
আমাদের প্রত্যেকদিনের খাবারের রুটিনে আমরা অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত
থাকবো। আমরা কম খাব না এবং অতিরিক্ত বেশি খাবার ও খাব না সব সময় ভয় পেট খাবারের
থেকে একটু কম খাওয়ার চেষ্টা করব। আমরা যদি প্রতিদিন সকালে তেলযুক্ত ব্রেকফাস্ট
বাদ দিয়ে রুটি এবং একটা সবজি এবং একটা ডিম সিদ্ধ
খাই তাহলে আমাদের অনেকটা চর্বি কমাতে পারবো। এবং আমরা দুপুরে খাবার দাম চার
ভাগের তিন ভাগ খাব দুপুরে আমরা ভাত এবং ডাল বা সবজি খাওয়ার চেষ্টা করব। বিকেলে
আমরা ভাজাভুজির থেকে বিরত হয়ে শসা কিংবা পেয়ারা খেতে পারি। এবং রাতে আমরা দুটো
থেকে তিনটা রুটি খাইতে পারি এতে করে আমাদের একটা হেলদি ডায়ে ট করা যাবে এবং
দ্রুত পেতে চর্বি কমানো যাবে।
চর্বি কমাতে হাই প্রোটিন ডায়েট নিয়ম/রুটিন
প্রোটিন বিপাকীয় হার বাড়ায় এবং পেশির ভর ধরে রাখতে সাহায্য করে। কঠিন সমৃদ্ধ
খাবার খেলে পেট ভর্তি থাকে এবং ঘন ঘন ক্ষুদা ভাব কাটাই। হাই প্রোটিন টাইট জেটু
পেট ভর্তি রাখে তার ফলে ক্যালরি খরচ কমে যায়। তাতে পেটের চর্বি ও কমতে শুরু করে।
ডায়েট প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করা আপনাকে স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবারের মতো
অবাচ্ছি তো খাবার খাওয়ার পরিমাণও কমাতে সাহায্য করে।
প্রোটিনের বেশ কিছু উৎস হল মুরগি, মাছ, ডিম ,পনির ,মাশরুম ,ইত্যাদি।সকালে খালি
পেটে হালকা কুসুম গরম পানি এবং লেবু রস। এবং সকালের নাস্তায় রুটি সবজি ডিম
সিদ্ধ। দুপুরের খাবারের ভাত ডাল সবজি মাছ। বিকেলে নাস্তা হিসেবে বাদাম বা তাজা
ফল। রাতে হালকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। ডায়েট রুটিন মানলে এক মাসের
মধ্যে পেটের চর্বির কমাতে সাহায্য করবে।
চর্বি কমাতে নির্দিষ্ট সময়ে খাদ্য অভ্যাস করুন
পেটের চর্বি কমাতে নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়া জরুরি। সকাল সাতটা থেকে নয়টা ঘুম
থেকে উঠে প্রোটিন ও ফাইবারযুক্ত ভারে নাস্তা করুন এটি আপনার শরীরের জন্য অত্যন্ত
ভালো। দুপুর একটা থেকে দুইটা মধ্যে খাবার শেষ করুন। যাতে শরীরের চর্বি জমার
প্রবণতা কমায়। বিকেলে চারটা থেকে পাঁচটা হালকা নাস্তা হিসেবে ফল বা বাদাম খেতে
পারেন এতে করে আপনার শরীর শক্ত হবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি হবে। রাতে
সাতটা থেকে আটটার ভিতরে খাবার খাবার চেষ্টা করুন।
ঘুমের অন্তত দূর থেকে তিন ঘন্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন। রাতের খাবার
অবশ্যই হালকা রাখুন যেমন রুটি, সুপইত্যাদি। কাঁচা খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন যেমন
খাবারের আগে সালাদ ,শসা, টমেটো খান। পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করুন। কম ঘুম চর্বি
বাড়াই তাই নিয়মিত সাত থেকে আট ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করো। পানি পানি আমি তো পানি
পান শরীর থেকে বর্জ্য অপসারণ করে পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত খাবার
গ্রহণ করুন সুস্থ থাকুন।
পেটের চর্বি কমাতে লেবু খাওয়ার নিয়ম
ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এক গ্লাস লেবু পানি শরীরের জন্য নান আমাকে উপকারে
আসে এটা অনেকেই জানেন। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। নেব একটি সাইট্রাস জাতীয় ফল।পেটের চর্বি বা মেদ
কমাতে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানিতে অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে পান
করা সবচেয়ে ভালো কার্যকর উপায়। কুসুম গরম পানিতে এক চা চামচ মধু ও দুই চা
চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন জামেদ কমাতে সাহায্য করবে।
সকালে চায়ের বদলে লেবু ও আধা পানি পান করলে মেয়েটা বেলিজম বৃদ্ধি পায়।
তাই নিয়মিত আদা ও লেবু পানি পান করার চেষ্টা করুন। দুপুর বা রাতে খাবার
আধাঘন্টা আগে লেবু পানি পান করে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ করে। লেবু পানি খাওয়ার
পাশাপাশি চিনি এবং মিষ্টি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। লেবু পানি খুদা কমাতে
সাহায্য করে। খাবার খাওয়ার রুবেলের পানি খেলে তা কম খাবার খেতে সহায়তা করবে।
চর্বি কমাতে পানি খাওয়ার গুরুত্ব
পেটের চর্বি বা মেদ কমাতে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্ব। খাবারের আগে এক
দুই গ্লাস পানি পান করলে পেট ভরা অনুভূত হয় যা কম ক্যালরি গ্রহণের প্রবণতা তৈরি
করে। চর্বি পোড়ানোর জন্য পানি অপরিহার্য পানির অভাবে ফ্যাট মেটাবেরিজম ধীর এর
হয়ে যায়। নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান
শরীরের থেকে বর্জ্য ও টক্সিন বের করে দেয়। সকালে উঠে এক গ্লাস কুসুম গরম
পানি পান করা হজমের সহায়তা করে। খাওয়া ৩০ থেকে ৬০ মিনিট আগে পানি পান করা
সবচেয়ে কার্যকর। সারাদিন অন্তত দিক থেকে ৩ লিটার পানি পান করা প্রয়োজন এর জন্য
পর্যাপ্ত।
শেষ কথাঃ পেটের চর্বি কমানোর ৯ টি সহজ উপাই
পেটের চর্বি কমানোর একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া সঠিক ডায়েট ও লাইফ স্টাইল
পরিবর্তন এর মাধ্যমে সম্ভব। প্রথমত চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া কমিয়ে
দিতে হবে। দ্বিতীয়ত একটু নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবার
যুক্ত খাবার খাইতে হবে। নিয়মিত পানি পান করতে হবে এবং পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে ঘুম
কম হলে চর্বি বাড়ে। নিয়মিত অভ্যাস বজায় রাখুন হঠাৎ ডায়েট নয় ধীরে ধীরে
পরিবর্তন ধারাবাহিকতায় আসল পদ্ধতি।
আমি জয়া আজকের আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনাদের মাঝে তুলে ধরেছি কিভাবে সহজেই
নয়টি উপায়ের মাধ্যমে পেটের চর্বি কমানো যায় আশা করছি আর্টিকেলটি পড়ে আপনারাও
উপকৃত হয়েছেন
শহর বাসির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url