আজকের এই আঁটিকেলে আমরা এলোভেরা জেল মুখে কিভাবে লাগাবো এই বিষয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করবো।আজকাল প্রায় আমাদের সকলের মুখে নানা সমস্যা হয়ে থাকে ।
যার জন্য প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতে হয়।
ত্বকে নানা সমস্যায় আমরা অনেক ধরনের কেমিক্যাল যুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার করি
কিন্তু তা আমাদের তোকে অনেক ক্ষতি করে । এই কারণে আমাদের ত্বক নিয়ে অনেক
ভোগান্তি পোহাতে হয়। তো চলুন জেনে নেই ত্বক ভালো রাখতে অ্যালোভেরা জেল মুখে
ব্যবহারের নিয়ম।
আমরা এখন অ্যালোভেরা জেল মুখে ব্যবহারের নিয়ম এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব
এবং সকল ধরনের সমস্যার সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করব। আমাদের মধ্যে প্রায় সকলের
ত্বকে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয় এবং তার জন্য আমরা নানা ধরনের দেশি-বিদেশি
প্রোডাক্ট ব্যবহার করি। যার কারনে আমাদের ত্বক নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন
হতে হয়।
আমাদের ত্বকের পিম্পলের দাগ বা ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে আমরা কোন প্রোগ্রামে
ভালোভাবে মেকআপ সেট করতে পারি না যার কারণে আমাদের অনেক বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়
ত্বকের যত্নে সব থেকে ভালো প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করা। আমরা অ্যালোভেরা
জেল ব্যবহার করে তোকে নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারি।
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা জেল এর কাজ কি
শীতের সময় আমাদের অনেকের ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় আমরা যদি অ্যালোভেরা জেলের সাথে
নারকেল তেল মিক্স করে ব্যবহার করি তাহলে আমরা ত্বক শুষ্কতার থেকে মুক্তি পেতে
পারি। নারিকেল তেল ধুলো সূর্যের আলো বা শুষ্ক বাতাস থেকে ত্বকে রক্ষা
করে।অ্যালোভেরা সঠিক নিয়ম আমাদের ত্বকে আরো সুন্দর করে তুলবে।
অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারে ত্বককে নরম করে ত্বককে ঠান্ডা ও রিফ্রেশ রাখে সূর্যের
ক্ষতি ও রোদে পোড়া ত্বক শীতল করতে সাহায্য করে। ত্বকে পিম্পলের দাগ দূর করতে
সাহায্য করে। প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের গভীর থেকে ময়লা ধুলো টেনে পরিষ্কার করে। সঠিক
নিয়মে এলোভেরা জেল ব্যবহার করলে দুই সপ্তাহের ভেতরে পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবে।
ত্বকের যত্নে কেন আমরা এলোভেরা জেলই ব্যবহার করব
আমরা ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার জন্য বিভিন্ন ক্রিম সাবান ইত্যাদি ব্যবহার করি। যা
অনেক সময় আমাদের ত্বকে খারাপ প্রভাব ফেলে। যার কারণে আমরা অনেক বিভ্রান্তিতে
পড়ে যায়। আমাদের ত্বক অনেক পাতলা হওয়ার কারণে যে কোন প্রোডাক্ট খারাপ ভাবে
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।যার কারনে আমরা ত্বকের যত্নে সবসময়
প্রাকৃতিক নিয়ম ফলো করবো। যার পার্শ্বপ্রতিক হওয়ার সম্ভাবনা একদমই থাকে না।
যার কারনে আমরা ত্বকের যত্নে সবসময় প্রাকৃতিক নিয়ম ফলো করবো। যার
পার্শ্বপ্রতিক হওয়ার সম্ভাবনা একদমই থাকে না।যার কারণে আমরা ত্বকের যত্নে
নিশ্চিন্তে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারি। অ্যালোভেরা জেল আমাদের মুখের জন্য
অনেক উপকারী।ত্বকের যত্নে আমরা এলোভেরা জেল ব্যবহার করব কারণ এটি তত্ত্বের
গভীরভাবে হাইড্রেট করে।
অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল বের করার নিয়ম
প্রথমে তাজা অ্যালোভেরার পাতা নির্বাচন করতে হবে। পাতার পাশে থাকা কাঁটা গুলো
ছুরি দিয়ে সাবধানে কেটে ফেলতে হবে। পাতাটি ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে
হবে। ধারালো ছুরি দিয়ে পাতার উপরে সবুজ অংশ তুলে সরিয়ে নিতে হবে। এবার ভেতরের
জেল অংশ ভালোভাবে চামচ দিয়ে তুলে আলাদা করে নিতে হবে।
তারপর বিলিন্ডারের সাহায্যে ভালোভাবে জেল বানিয়ে নিতে হবে। তারপর ফ্রিজে
রেখে সংরক্ষণ করে দীর্ঘদিন ভালোভাবে ব্যবহার করা যাবে।অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারের
পূর্বে হাতের কনুই এবং কানের পিছনে লাগিয়ে পরীক্ষা করতে হবে।যদি কোন চুলকানি বা
জ্বালা হয় তাহলে ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
ত্বক নিয়ে আমাদের যে যে সমস্যায় পড়তে হয়
ত্বক সাধারণত অনেক সেনসিটিভ একটি জায়গা। একটু অযত্নের কারণে তোকে নানা সমস্যা
সৃষ্টি হয় যেমন:শুষ্ক হয়ে যাওয়া,ত্বকে ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইট হেডস, পিম্পল এর
কালো দাগ, ত্বকের তৈলাক্ত সমস্যা, এলার্জি সমস্যা ইত্যাদি। নতুন ক্রিম লোশন
ব্যবহারের ত্বকে লালচে দাগ ফুসকুড়ি ইত্যাদি নানা ধরনের সমস্যা হয়।
পর্যাপ্ত পানি না খেলে শীতকালে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়।আমাদের ত্বকের সকল প্রকার
সমস্যা দূর করার জন্য কোন প্রকার কেমিক্যাল যুক্ত প্রোডাক্ট ব্যবহার না করে
প্রাকৃতিকভাবে এলোভেরা জেল ব্যবহার করে মুখের ত্বকের সকল প্রকার সমস্যা দূর করা
যায়।অ্যালোভেরা জেল আমাদের ত্বকের চুলকানি ও লালচে ভাব হ্রাস করে ত্বকে নরম ও
সফ্ট রাখে।
ত্বক এবং জেল প্রস্তুত করার নিয়ম
অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে ত্বকে ভালো ফলাফল পেতে কিছু নিয়মকানুন মেনে জেল
ব্যবহার করতে হবে। তোকে জেল ব্যবহারের পূর্বে ফেস ভালোভাবে ক্লিন করে নিতে হবে।
কোন প্রকার মেকআপ থাকা যাবে না। ত্বক বেশি শুষ্ক হলে এলোভেরা জেল এর সাথে নারকেল
তেল মিক্স করে নিতে হবে।
ত্বক হালকা ফর্সা করার জন্য অ্যালোভেরা জেলের সাথে মধু মিশিয়ে ব্যবহার
করতে হবে।
তোকে কোন প্রকার দাগ থাকলে জেলের সাথে লেবু মিশিয়ে দিতে হবে। লেবু মিক্স করার
পরে হাতের কনুই এবং কানের পাশে অল্প পরিমাণে ব্যবহার করে পরীক্ষা করে নিতে হবে।
তোকে কোন প্রকার সমস্যা দেখা দিলে ত্বক বা সেনসিটিভ হলে লেবু দেওয়া যাবে না।
মুখে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারের পাঁচটি সহজ নিয়ম
পাঁচটি সহজ নিয়মে অ্যালোভেরা জেলের ব্যবহার।
১.প্রথমে ভালোভাবে ত্বক পরিষ্কার করা।
২. অল্প পরিমাণ জেল ব্যবহার করা।
৩. হালকা হাতে ত্বকে জেল ব্যবহার করা।
৪.রাতে ব্যবহার করা।
৫. ত্বক বেশি শুষ্ক হলে এক থেকে দুইবার ভালোভাবে ব্যবহার করা।
মুখে ফোড়া থাকলে আলতো ভাবে শুধু ওই জায়গায় জেল লাগিয়ে রাখা।
সব সময় ত্বকে ব্যবহারের পূর্বে হাতে এবং কানের পাশে লাগে পরীক্ষা করা। কোন
জ্বালাপোড়া করলে অ্যালোভেরা জেল থেকে বিরত থাকতে হবে। ত্বককে সব সময় হেলদি
রাখার জন্য শীতের সময় পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
অ্যালোভেরার সাথে আমরা কোন কোন উপাদান মিক্স করব
অ্যালোভেরার সাথে আমরা যে যে উপাদান মিক্স করতে পারবো-নিম পাতা ব্যবহার করলে ব্রণ
কমাতে সাহায্য করে। হলুদ গুঁড়ো অ্যালোভেরা জেলের সাথে মিশালে ত্বকের উজ্জ্বলতা
বৃদ্ধি পায়। লেবুর রস মিশালে ত্বকের দাগ হালকা হয়। টক দই মিশালে ত্বক নরম ও সফট
হয়। চন্দন গুড়া বিশালের ত্বকে ঠান্ডা অনুভূত হয়। কোকো তেল শুষ্ক ত্বক ভালো
করে। রোজ ওয়াটার মিসালে ত্বক সতেজ ও হালকা হয়। ত্বকের সতেজ রাখতে আমরা এলোভেরার
সঠিক ব্যবহার করব।
তোকে যত্নে আমরা সঠিক ভাবে আরো ব্রাজিল ব্যবহার করব। কারণ এটি ত্বককে গভীরভাবে
হাইড্রেট করে। এটি শুষ্কতা ও রুক্ষতা কমাতে সাহায্য করে। চুলকানি ও লালচে ভাব
ব্রাশ করে ত্বক নরম ও শখ রাখে। ব্রণ ও দাগ কমাতে সাহায্য করে। ত্বক মসৃণ ও
সতেজ
শেষ কথা: অ্যালোভেরা জেল ব্যবহারের সাবধানতা সতর্কতা
অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করার অনেক সময় পাতার কস জেলের সাথে মিশে থাকে যা
আমাদের শরীরের চুলকানি সৃষ্টি করে। তাই জেল বের করার সময় অনেক সাবধানে খেয়াল
রাখতে হবে। জেল সরাসরি মুখে ব্যবহারে আগে হাতের পেছনে এবং কানের পাশে লাগিয়ে
পরীক্ষা করুন। লালচে দাগ চুলকানি বা ফোলা হলে ব্যবহার করবেন না।
অ্যালোভেরা জেল মুখের জন্য খুবই উপকারী। অ্যালোভেরা জেল মুখের ত্বকের জন্য এক
প্রাকৃতিক ও নিরাপদ যত্ন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে করে আরো উজ্জ্বল কোমল ও
দাগ হীন। এটা পুরোপুরি কেমিক্যাল মুক্ত তাই সবাই ব্যবহার করতে পারবে। একই
সরাসরি ব্যবহারের আগে পরীক্ষা করে নিতে হবে যেন তোকে কোন এলার্জি প্রতিক্রিয়া
দেখা না যায়।
Onek sundor
Very nice
Thank you